Close Menu
Bhagavad GitaBhagavad Gita
  • Home – বাংলা
    • প্রবন্ধ ও ধর্ম সংবাদ
  • আমাদের সম্পর্কে
    • আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
    • গোপনীয়তা নীতি
    • ঘোষণা
  • বিভাগসমূহ – Bangla
    • উৎসব ও প্রথা
    • দেবতা ও অবতার
    • ভগবদ গীতার অন্তর্দৃষ্টি এবং উক্তি
    • যোগ ও দর্শন
    • শিক্ষা ও উদ্ধৃতি
    • সন্ত ও ঋষি
    • হিন্দু ধর্ম সংবাদ
    • হিন্দু শাস্ত্র
  • ভগবদ্গীতা ব্যাখ্যা
  • হিন্দু ধর্মের উৎসব ও সংস্কার
  • হিন্দু ধর্মের উদ্ধৃতি ও প্রেরণা
  • হিন্দু ধর্মের উপদেশ ও দর্শন
  • সনাতন ধর্মের ঋষি ও গুরু
  • হিন্দু ধর্মের দেবতা ও অবতার
  • হিন্দু ধর্মের ধর্মগ্রন্থসমূহ
What's Hot

ব্রাহ্মণ কি “বায়োলজিক্যাল”? জন্ম, গুণ, কর্ম ও শাস্ত্রের আসল কথা

জানুয়ারি 11, 2026

সন্ত এবং সাধু

অক্টোবর 21, 2025

হিন্দু শাস্ত্র

অক্টোবর 21, 2025
Facebook X (Twitter) Instagram
  • Home – বাংলা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
  • প্রবন্ধ ও ধর্ম সংবাদ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ঘোষণা
Bhagavad GitaBhagavad Gita
  • Home – বাংলা
    • প্রবন্ধ ও ধর্ম সংবাদ
  • আমাদের সম্পর্কে
    • আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
    • গোপনীয়তা নীতি
    • ঘোষণা
  • বিভাগসমূহ – Bangla
    • উৎসব ও প্রথা
    • দেবতা ও অবতার
    • ভগবদ গীতার অন্তর্দৃষ্টি এবং উক্তি
    • যোগ ও দর্শন
    • শিক্ষা ও উদ্ধৃতি
    • সন্ত ও ঋষি
    • হিন্দু ধর্ম সংবাদ
    • হিন্দু শাস্ত্র
  • ভগবদ্গীতা ব্যাখ্যা
  • হিন্দু ধর্মের উৎসব ও সংস্কার
  • হিন্দু ধর্মের উদ্ধৃতি ও প্রেরণা
  • হিন্দু ধর্মের উপদেশ ও দর্শন
  • সনাতন ধর্মের ঋষি ও গুরু
  • হিন্দু ধর্মের দেবতা ও অবতার
  • হিন্দু ধর্মের ধর্মগ্রন্থসমূহ
Bhagavad GitaBhagavad Gita
Home»ভগবদ্গীতা ব্যাখ্যা
Krishna and Arjuna on the battlefield

ভগবদ্গীতা ব্যাখ্যা

Krishna and Arjuna on the battlefield

Table of Contents

Toggle
  • ভগবদ্গীতা ব্যাখ্যা: শুধু ধর্মগ্রন্থ নয়, জীবনের পথনির্দেশিকা
    • ভগবদ্গীতা কী?
    • সংক্ষিপ্ত তথ্য (Key Facts)
    • ঐতিহাসিক ও শাস্ত্রীয় প্রেক্ষাপট
    • যুদ্ধক্ষেত্রই কেন গীতার পাঠশালা?
    • মূল ধারণা: ধর্ম (Dharma)
    • গীতার তিনটি প্রধান যোগপথ
      • ১. কর্মযোগ — নিঃস্বার্থ কাজের পথ
      • ২. ভক্তিযোগ — ভক্তির পথ
      • ৩. জ্ঞানযোগ — জ্ঞানের পথ
    • কৃষ্ণের বিশ্বরূপ (বিশ্বরূপ দর্শন)
    • বেদ, উপনিষদ ও গীতার সম্পর্ক
    • ইতিহাসে গীতার প্রভাব
    • আধুনিক যুগে গীতার প্রাসঙ্গিকতা
    • গীতা কি শুধু হিন্দুদের জন্য?
    • প্রামাণ্যতা ও রেফারেন্স
    • উপসংহার: কেন গীতা চিরন্তন

ভগবদ্গীতা ব্যাখ্যা: শুধু ধর্মগ্রন্থ নয়, জীবনের পথনির্দেশিকা

ভগবদ্গীতা কোনো সাধারণ ধর্মীয় গ্রন্থ নয়—এটি জীবনযাপনের একটি ব্যবহারিক নির্দেশিকা। দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে এই গ্রন্থ মানুষকে ভয়, বিভ্রান্তি, নৈতিক সংকট, কর্তব্যবোধ এবং জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে সাহায্য করে আসছে। কেউ যদি ধর্মীয় হন, আধ্যাত্মিক হন, বা কেবল দর্শন নিয়ে কৌতূহলী হন—গীতা সবার সাথেই একটি সর্বজনীন ভাষায় কথা বলে।

ভগবদ্গীতাকে প্রায়ই বলা হয় “ঈশ্বরের গান” (Song of God)। এই গ্রন্থ শেখায়—কীভাবে পৃথিবীর সমস্ত দায়িত্ব, সংগ্রাম ও সম্পর্কের মধ্যেও অন্তরের শান্তি বজায় রাখা যায়। আজও গীতা আমাদের সামনে এমন প্রশ্ন তোলে, যেগুলো একেবারেই সমকালীন—

  • জীবন যখন অসহনীয় মনে হয়, তখন কী করা উচিত?

  • কর্তব্য, আবেগ ও ব্যক্তিগত মূল্যবোধের মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে রাখা যায়?

  • কাজ, ভালোবাসা ও সংগ্রামের মাঝেও কি আধ্যাত্মিক উন্নতি সম্ভব?

গীতা এসব প্রশ্নেরই গভীর কিন্তু বাস্তব উত্তর দেয়।

ভগবদ্গীতা কী?

ভগবদ্গীতা একটি ৭০০ শ্লোকের সংস্কৃত শাস্ত্র, যা ভারতের মহাকাব্য মহাভারত-এর অংশ। এটি মহাভারতের ষষ্ঠ পর্ব (ভীষ্ম পর্ব)-এ অন্তর্ভুক্ত। পুরো গ্রন্থটি একটি সংলাপ—যেখানে একদিকে রয়েছেন যোদ্ধা অর্জুন, অন্যদিকে তাঁর সারথি ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।

বাহ্যিকভাবে কৃষ্ণ অর্জুনের রথচালক হলেও, প্রকৃত অর্থে তিনি হলেন একজন বিভ্রান্ত মানুষের জন্য ঈশ্বরীয় গুরু—যিনি সংকটের মুহূর্তে পথ দেখান।

সংক্ষিপ্ত তথ্য (Key Facts)

  • ভাষা: সংস্কৃত

  • শ্লোক সংখ্যা: ৭০০

  • অধ্যায়: ১৮টি

  • গ্রন্থের অংশ: মহাভারত (ভীষ্ম পর্ব)

  • রচনাকাল (আনুমানিক): খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতক – খ্রিস্টীয় ২য় শতক

  • মূল বিষয়: ধর্ম (Dharma), যোগ (Yoga), মোক্ষ (Moksha)

ঐতিহাসিক ও শাস্ত্রীয় প্রেক্ষাপট

মহাভারত মূলত দুই রাজবংশ—পাণ্ডব ও কৌরবদের মধ্যে সংঘটিত এক ভয়াবহ সংঘর্ষের কাহিনি। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ শুরুর ঠিক আগে অর্জুন যখন শত্রুপক্ষে নিজের আত্মীয়, গুরু, বন্ধুদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন, তখন তিনি ভেঙে পড়েন।

তার হাত কাঁপে, মুখ শুকিয়ে যায়, বিখ্যাত গান্ডীব ধনুক হাত থেকে পড়ে যায়। তখন তিনি একেবারে মানুষের মতো প্রশ্ন করেন—

“ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ হলেও, যদি এর ফলে এত প্রাণহানি হয়, তবে কি এই যুদ্ধ করা ঠিক?”

এই গভীর মানসিক সংকট থেকেই ভগবদ্গীতার সূচনা।

যুদ্ধক্ষেত্রই কেন গীতার পাঠশালা?

গীতার সবচেয়ে শক্তিশালী দিকগুলোর একটি হলো—এর স্থান।
এটি কোনো বন, আশ্রম বা নির্জন গুহায় নয়, বরং যুদ্ধক্ষেত্রের মাঝখানে বলা হয়েছে।

এর তাৎপর্য গভীর—

  • জীবন নিজেই এক যুদ্ধক্ষেত্র

  • সংকটের মধ্যেই প্রকৃত নৈতিক স্পষ্টতা আসে

  • আধ্যাত্মিকতা পালিয়ে যাওয়ার জন্য নয়, জীবনের মাঝেই প্রয়োগের জন্য

কৃষ্ণ অর্জুনকে সন্ন্যাস নিতে বলেননি। বরং শিখিয়েছেন—কীভাবে কাজ করতে হয়, কিন্তু কাজের ভারে ভেঙে পড়তে হয় না।

মূল ধারণা: ধর্ম (Dharma)

ভগবদ্গীতার কেন্দ্রে রয়েছে ধর্ম—অর্থাৎ পরিস্থিতি, ভূমিকা ও বিবেক অনুযায়ী সঠিক কর্তব্য।

কৃষ্ণ বলেন—

  • ভয় থেকে কর্তব্য এড়িয়ে যাওয়াও এক ধরনের কর্ম

  • নৈতিকতা মানে আবেগ নয়, বরং স্পষ্ট বোধ

  • আসক্তি ছাড়াই সঠিক কাজ করাই প্রকৃত ধর্ম

📖 রেফারেন্স: ভগবদ্গীতা ২.৪৭

“তোমার অধিকার শুধু কর্মে, ফলের উপর নয়।”

এই এক শ্লোকই নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও আত্মউন্নয়ন বিষয়ে বিশ্বজুড়ে অসংখ্য মানুষকে প্রভাবিত করেছে।

গীতার তিনটি প্রধান যোগপথ

গীতা মানুষের ভিন্ন ভিন্ন স্বভাবকে স্বীকার করে এবং একাধিক পথ দেখায়—সব পথই শেষ পর্যন্ত একই সত্যে পৌঁছায়।

১. কর্মযোগ — নিঃস্বার্থ কাজের পথ

কর্মযোগ শেখায়—

  • কাজ এড়ানো যায় না

  • আসল বিষয় হলো মনোভাব

  • কাজ হোক সেবা, অহংকার নয়

বাস্তব উদাহরণ:
একজন ডাক্তার যদি সৎভাবে রোগী চিকিৎসা করেন—খ্যাতি বা লোভ ছাড়াই—তাহলে তিনি অজান্তেই কর্মযোগ পালন করছেন।

📖 রেফারেন্স: গীতা অধ্যায় ২–৫

২. ভক্তিযোগ — ভক্তির পথ

ভক্তিযোগের মূল হলো—

  • প্রেম

  • সমর্পণ

  • ঈশ্বরের সাথে সম্পর্ক

কৃষ্ণ স্পষ্ট করে বলেন—ভক্তির ক্ষেত্রে জাত, লিঙ্গ, শ্রেণি কোনো বাধা নয়।

📖 ভগবদ্গীতা ৯.২৬

“যে ভক্তিভরে একটি পাতা, ফুল, ফল বা জল অর্পণ করে—আমি তা গ্রহণ করি।”

এতেই গীতা সাধারণ মানুষের জন্য আধ্যাত্মিকতাকে সহজ করে তোলে।

৩. জ্ঞানযোগ — জ্ঞানের পথ

জ্ঞানযোগ শেখায়—

  • দেহ নশ্বর

  • আত্মা চিরন্তন

  • অজ্ঞানই দুঃখের মূল

কৃষ্ণ অর্জুনকে বোঝান—
পরিবর্তনশীল (দেহ, আবেগ) ও অপরিবর্তনীয় (আত্মা, চেতনা)-এর পার্থক্য।

📖 রেফারেন্স: গীতা অধ্যায় ১৩

কৃষ্ণের বিশ্বরূপ (বিশ্বরূপ দর্শন)

অধ্যায় ১১-তে কৃষ্ণ তাঁর বিশ্বরূপ প্রকাশ করেন—যেখানে সৃষ্টি ও ধ্বংস একসাথে ধরা পড়ে।

এটি দেখায়—

  • সময় সবকিছু গ্রাস করে

  • ঈশ্বর সব ঘটনার অন্তরালে

  • গীতা কেবল দর্শন নয়, গভীর রহস্যবাদও

📖 রেফারেন্স: ভগবদ্গীতা অধ্যায় ১১

বেদ, উপনিষদ ও গীতার সম্পর্ক

ভগবদ্গীতা একটি সেতুবন্ধন—

  • বেদের কর্মকাণ্ড

  • উপনিষদের অন্তর্দৃষ্টি

এখানে—

  • যজ্ঞ → নিঃস্বার্থ কর্ম

  • জ্ঞান → বাস্তব প্রজ্ঞা

  • সন্ন্যাস → অন্তরের অনাসক্তি

📖 রেফারেন্স: গীতা ৪.৩৩–৪.৩৮

ইতিহাসে গীতার প্রভাব

গীতা অনুপ্রাণিত করেছে—

  • আদি শঙ্করাচার্য — অদ্বৈত দর্শন

  • রামানুজাচার্য — ভক্তিমূলক ব্যাখ্যা

  • মাধ্বাচার্য — দ্বৈত দর্শন

  • মহাত্মা গান্ধী — নিষ্কাম কর্ম ও অহিংসা

গান্ধী গীতাকে বলতেন তাঁর “আধ্যাত্মিক অভিধান”।

আধুনিক যুগে গীতার প্রাসঙ্গিকতা

আজ গীতা পড়ানো হয়—

  • নেতৃত্ব উন্নয়ন

  • মনোবিজ্ঞান

  • স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট

  • নৈতিক সিদ্ধান্তে

দৈনন্দিন জীবনে:
পরীক্ষার চাপের মুখে থাকা একজন ছাত্র গীতা থেকে শিখতে পারে—ফল নয়, চেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ।

গীতা কি শুধু হিন্দুদের জন্য?

না।
গীতা মানবিক সমস্যার কথা বলে—

  • ভয়

  • দ্বিধা

  • জীবনের উদ্দেশ্য

এই কারণেই এটি বিশ্বব্যাপী, ধর্মের সীমানা ছাড়িয়ে পড়া হয়।

প্রামাণ্যতা ও রেফারেন্স

  • মহাভারত, ভীষ্ম পর্ব

  • পুনের BORI-এর সমালোচনামূলক সংস্করণ

  • শঙ্কর, রামানুজ, মাধ্ব ভাষ্য

  • আধুনিক গবেষণা: খ্রিস্টপূর্ব ২য় – খ্রিস্টীয় ২য় শতক

উপসংহার: কেন গীতা চিরন্তন

ভগবদ্গীতা টিকে আছে কারণ এটি পুরোনো নয়, চিরকালীন।

এটি অন্ধ বিশ্বাস চায় না—
চায় বিবেক, সাহস ও সচেতন জীবনযাপন।

অনিশ্চিত পৃথিবীতে গীতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—

কর্তব্য করো। স্পষ্টভাবে কাজ করো। ভয় ছাড়ো।

এই কারণেই ভগবদ্গীতা মানব ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আধ্যাত্মিক গ্রন্থ।

Latest Post
Bhagavad Gita
  • Home – বাংলা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
  • প্রবন্ধ ও ধর্ম সংবাদ
  • গোপনীয়তা নীতি
  • ঘোষণা
Copyright © 2026 Bhagavad Gita All Rights Reserved.

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.